ওজন কমানোর সবচেয়ে কার্যকরী সমাধান


অতিরিক্ত ওজনের ফলে আমরা বিভিন্ন সমস্যায় পড়েছি। উঠতে সমস্যা, বসতে সমস্যা, কাজে সমস্যা, খেতে সমস্যা, ঘুমাতে সমস্যা, উফফফ সমস্যা আর সমস্যা! এতো ওজন কেন শরীরে! কমছেই না। বন্ধু/মামা কত নিয়মকানুন মেনে চলেছি কিন্তু ওজন কমছেই না রে! কি করবো এখন? ভালো একটা টিপস দে না🙏

হুম দিচ্ছি, আগে মনে রাখতে হবে সমস্যা যত কঠিনই হোক, চিন্তা-বুদ্ধি খাটালেই সমাধান মিলবে।


শরীর থেকে চর্বি কমে যাওয়াই হচ্ছে ওজন কমে যাওয়া। তাই সবার আগে চর্বি দুর করতে হবে। আর চর্বি দুর করতে চাইলে পর্যাপ্ত পরিমানে খেতে হবে অ্যান্টি- অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার।


তাই আজ আমরা তৈরি করবো একটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ পানীয় রস। যা নিয়মিত খেলে চর্বির গুষ্টি শেষ। এতে শরীরের ওজন কমবেই কমবে।


এই পানীয় রস বানাতে যা যা লাগবে👇

👉 ১। শশা ২। লেবু ৩। পার্সলে শাক ৪। আদা ৫। অ্যালো ভেরা ৬। এক গ্লাস জল।

এগুলি দিয়েই কেন পানীয় রসটি বানাবো? 

১. অ্যালো ভেরা

আমরা জানি অ্যালো ভেরায় রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট।  অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে খেলে হজম শক্তি বৃদ্ধি পায়। এজন্য শরীরে চর্বি জমতে পারে না। ফলে ওজন কমতে শুরু করে। এক চা চামচ অ্যালো বেরা নিলেই হবে।

২. পার্সলে শাক

বাজার থেকে এক আঁটি পার্সলে শাক কিনে আনুন। তারপর এটি একদম পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে নিয়ে কেটে কুচি কুচি করে ফেলুন। মনে রাখতে হবে, পার্সলে শাকেও প্রচুর পরিমানে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। 

৩. লেবু

লেবুর রস খুবই উপকারী। সবাই জানি, লেবুতে রয়েছে ভিটামিন সি, যা খেলে শরীরের চর্বি গলে যায় এবং শরীর থেকে ক্ষতিকর সব টক্সিন বের হয়ে। 

৪. আদা

প্রথমে আদার চোঁচা তুলে ফেলুন। আদাতেও রয়েছে সর্বোচ্চ পরিমাণ অ্যান্টি-অক্সডেন্ট। তাই  এই পানীয় রসটি বানাতে আদার প্রয়োজন পরবে।

৫. শশা

আমরা জানি, শশা ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার। আর ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার শরীরের ওজন দ্রুত কমিয়ে দেয়। তাই পানীয় রসটি বানাতে আমরা শশা নিচ্ছি।


পানীয় রসটি বানানোর পদ্ধতি

একটি ব্লেন্ডার মেশিনে পরিমাণ মতো সবকটি উপকরণ নিন। অটোমেটিক মিকচার হয়ে রস তৈরি হবে। যাদের ব্লেন্ডার মেশিন নেই তারা একটি বাটিতে সবকিছু নিয়ে চামচ দিয়ে ঘেটে মিক্সচার করে নিন।


খাওয়ার সময়

রাত্রিবেলা ঘুমানোর আগে আগে প্রতিদিন এই পানীয় রসটি খেলে অবশ্যই ১০০% পেটের চর্বি কমে যাবে। এর ফলে সামগ্রিক ওজনও কমতে শুরু করবে। যতদিন না পর্যন্ত শরীরের ওজনটা আপনার মনের মতো হচ্ছে ততদিন পর্যন্ত খেতে থাকুন।

Post a Comment

0 Comments